১২ভি ১২এএইচ ৩০এএইচ ৫০এএইচ ১০০এএইচ ১৩০এএইচ ২০০এএইচ ২৪ভি ৪৮ভি ১০০এএইচ লিথিয়াম আয়রন ফসফেট লাইফপো৪ ব্যাটারি
বর্ণনা
লাইফপো৪ ব্যাটারি তার অসাধারণ স্থায়িত্ব, নির্ভরযোগ্যতা এবং দীর্ঘস্থায়ী পারফরম্যান্সের জন্য পরিচিত, যা এটিকে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারের জন্য একটি আদর্শ ব্যাটারি করে তুলেছে। আপনি আপনার বৈদ্যুতিক গাড়ি, সোলার প্যানেল বা পোর্টেবল ডিভাইস, যা-ই চালাতে চান না কেন, এই ব্যাটারি আপনার সব প্রয়োজন মেটাবে।
লাইফপো৪ ব্যাটারিগুলো অত্যন্ত কার্যকর; এগুলো ছোট আকারেই বেশি শক্তি ধারণ করতে পারে, ফলে সীমিত জায়গার অ্যাপ্লিকেশনগুলোর জন্য এগুলো আদর্শ।
এছাড়াও, লাইফপো৪ ব্যাটারি পরিবেশবান্ধব, কারণ এতে প্রচলিত ব্যাটারিতে সাধারণত পাওয়া যায় এমন ক্যাডমিয়াম, পারদ এবং সীসার মতো বিষাক্ত পদার্থ থাকে না। এগুলো সহজে পুনর্ব্যবহারযোগ্য, যার অর্থ হলো এগুলো বর্জ্য কমাতে সাহায্য করে, যা পরিবেশ-বান্ধবতাকে গুরুত্ব দেন এমন ব্যক্তিদের জন্য এটিকে একটি টেকসই বিকল্প করে তোলে।
সুতরাং আপনি যদি একটি উচ্চ-কর্মক্ষমতাসম্পন্ন এবং পরিবেশ-বান্ধব রিচার্জেবল ব্যাটারির সমাধান খুঁজে থাকেন, তাহলে লাইফপো৪ (Lifepo4) নিঃসন্দেহে আপনার জন্য সেরা বিকল্প!
আরও বিস্তারিত
| মোডল | এক্সপিডি-১২১২ | এক্সপিডি-৩০১২ | এক্সপিডি-৫০১২ | এক্সপিডি-১০০১২ | এক্সপিডি-১৩০১২ | এক্সপিডি-২০০১২ | এক্সপিডি-১০০২৪ | এক্সপিডি-১০০৪৮ |
| ক্ষমতা | ১২ভি১২আহ | ১২ভি৩০এএইচ | ১২ভি৩০এএন | ১২ভি১০০এএইচ | ১২ভি১৩০অ্যাং | ১২ভি২০০এএইচ | ২৪ভি১০০এএইচ | ৪৮ভি১০০এএইচ |
| ক্রমাগত ডিসচার্জ বর্তমান | 8A | ১৫ক | ২৫ক | ৫০এ | ৬০এ | ১০০এ | ৫০এ | ৫০এ |
| সর্বোচ্চ সুরক্ষা বর্তমান | ১৬ক | ১৬ক | ১৬ক | ১০০এ | ১৩০এ | ২০০এ | ১০০এ | ১০০এ |
| কার্যকরী ভোল্টেজ | ১০-১৪.৬ ভোল্ট | ২০-২৯.২ ভোল্ট | ৩৭.৫-৫৪.৭৫ ভোল্ট | |||||
| স্ট্যান্ডার্ড ভোল্টেজ | ১২.৮ ভোল্ট | ২৫.৬ ভোল্ট | ৪৮ক | |||||
| কন্টিনিউকাস ওয়ার্ক কারেন্ট | 8A | ১৫ক | ২৫ক | ৫০এ | ৬৫এ | ১০০এ | ৫০এ | ৫০এ |
| ম্যাক্স চার্জ ভোল্টেজ | ১৪.৬ ভোল্ট | |||||||
| প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবিত মডেল | ৮০% | |||||||
| আকার (মিমি) | ৫৫*৯৯*৯৪ | ১৯৫*১৩৩*১৭১ | ২২৯*১৩৯*২০৮ | ২৫৬*১৬৫*২১০ | ৩৩০*১৭২*২১৫ | ৫২১*২৩৮*২১৮ | ৩৪৫*১৯০*২৪৫ | ৫২০*২৬৭*২২০ |
| ওজন | ১.৫ কেজি | ৩.২ কেজি | ৪.৫ কেজি | ১০ কেজি | ১৩ কেজি | ১৯ কেজি | ২২ কেজি | ৩৩ কেজি |
| আর্দ্রতা | ৮৫% | |||||||
| কুয়িং টাইপ | প্রাকৃতিক শীতলীকরণ | |||||||
| IP | আইপি৬৭ | |||||||
| কার্যকরী জীবনকাল | ৮-১০ বছর | |||||||
১. অন্যান্য সরবরাহকারীদের তুলনায় আপনার দর বেশি কেন?
চীনের বাজারে অনেক কারখানা ছোট ও লাইসেন্সবিহীন ওয়ার্কশপে তৈরি স্বল্পমূল্যের ইনভার্টার বিক্রি করে। এই কারখানাগুলো নিম্নমানের যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে খরচ কমায়। এর ফলে বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়।
সোলারওয়ে একটি পেশাদার কোম্পানি যা পাওয়ার ইনভার্টারের গবেষণা ও উন্নয়ন, উৎপাদন এবং বিক্রয়ে নিয়োজিত। আমরা ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে জার্মান বাজারে সক্রিয়ভাবে জড়িত এবং প্রতি বছর জার্মানি ও এর পার্শ্ববর্তী বাজারগুলোতে প্রায় ৫০,০০০ থেকে ১,০০,০০০ পাওয়ার ইনভার্টার রপ্তানি করে থাকি। আমাদের পণ্যের গুণমান আপনার আস্থা অর্জনের যোগ্য!
২. আউটপুট ওয়েভফর্ম অনুযায়ী আপনার পাওয়ার ইনভার্টারগুলোর কয়টি ক্যাটাগরি রয়েছে?
টাইপ ১: আমাদের NM এবং NS সিরিজের মডিফাইড সাইন ওয়েভ ইনভার্টারগুলো একটি মডিফাইড সাইন ওয়েভ তৈরি করতে PWM (পালস উইডথ মডুলেশন) ব্যবহার করে। ইন্টেলিজেন্ট, ডেডিকেটেড সার্কিট এবং উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন ফিল্ড-ইফেক্ট ট্রানজিস্টর ব্যবহারের ফলে, এই ইনভার্টারগুলো উল্লেখযোগ্যভাবে পাওয়ার লস কমায় এবং সফট-স্টার্ট ফাংশন উন্নত করে, যা অধিক নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করে। যদিও পাওয়ার কোয়ালিটি খুব বেশি চাহিদাপূর্ণ না হলে এই ধরনের পাওয়ার ইনভার্টার বেশিরভাগ বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের চাহিদা মেটাতে পারে, তবুও অত্যাধুনিক সরঞ্জাম চালানোর সময় এতে প্রায় ২০% হারমোনিক ডিসটর্শন দেখা যায়। এই পাওয়ার ইনভার্টার রেডিও কমিউনিকেশন সরঞ্জামে উচ্চ-ফ্রিকোয়েন্সির ইন্টারফেরেন্সও ঘটাতে পারে। তবে, এই ধরনের পাওয়ার ইনভার্টার দক্ষ, কম নয়েজ তৈরি করে, এর দামও সহনীয়, এবং তাই এটি বাজারে একটি মূলধারার পণ্য।
টাইপ ২: আমাদের NP, FS, এবং NK সিরিজের পিওর সাইন ওয়েভ ইনভার্টারগুলোতে একটি আইসোলেটেড কাপলিং সার্কিট ডিজাইন ব্যবহার করা হয়েছে, যা উচ্চ দক্ষতা এবং স্থিতিশীল আউটপুট ওয়েভফর্ম প্রদান করে। উচ্চ-ফ্রিকোয়েন্সি প্রযুক্তির কারণে, এই পাওয়ার ইনভার্টারগুলো আকারে ছোট এবং বিভিন্ন ধরনের লোডের জন্য উপযুক্ত। এগুলোকে কোনো রকম ইন্টারফেয়ারেন্স (যেমন, গুঞ্জন বা টিভির শব্দ) সৃষ্টি না করেই সাধারণ বৈদ্যুতিক ডিভাইস এবং ইন্ডাক্টিভ লোডের (যেমন রেফ্রিজারেটর এবং ইলেকট্রিক ড্রিল) সাথে সংযুক্ত করা যায়। একটি পিওর সাইন ওয়েভ পাওয়ার ইনভার্টারের আউটপুট আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহৃত গ্রিড পাওয়ারের মতোই—এমনকি তার চেয়েও ভালো—কারণ এটি গ্রিড-সংযুক্ত পাওয়ারের সাথে সম্পর্কিত ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক দূষণ তৈরি করে না।
৩. রোধক লোড অ্যাপ্লায়েন্স বলতে কী বোঝায়?
মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, এলসিডি টিভি, ইনক্যান্ডেসেন্ট লাইট, বৈদ্যুতিক পাখা, ভিডিও ব্রডকাস্টার, ছোট প্রিন্টার, বৈদ্যুতিক মাহজং মেশিন এবং রাইস কুকারের মতো সরঞ্জামগুলিকে রোধক লোড হিসাবে বিবেচনা করা হয়। আমাদের মডিফাইড সাইন ওয়েভ ইনভার্টারগুলি সফলভাবে এই ডিভাইসগুলিকে শক্তি সরবরাহ করতে পারে।
৪. আবেশিক লোড অ্যাপ্লায়েন্স কাকে বলে?
ইন্ডাক্টিভ লোড অ্যাপ্লায়েন্স হলো এমন ডিভাইস যা ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ইন্ডাকশনের উপর নির্ভর করে, যেমন মোটর, কম্প্রেসার, রিলে, ফ্লুরোসেন্ট ল্যাম্প, ইলেকট্রিক স্টোভ, রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, এনার্জি-সেভিং ল্যাম্প এবং পাম্প। এই অ্যাপ্লায়েন্সগুলো সাধারণত চালু হওয়ার সময় তাদের রেটেড পাওয়ারের ৩ থেকে ৭ গুণ বেশি শক্তির প্রয়োজন হয়। ফলে, এগুলোকে শক্তি জোগানোর জন্য শুধুমাত্র একটি পিওর সাইন ওয়েভ ইনভার্টারই উপযুক্ত।
৫. কীভাবে একটি উপযুক্ত ইনভার্টার নির্বাচন করবেন?
আপনার লোডে যদি লাইট বাল্বের মতো রেজিস্ট্যান্সযুক্ত যন্ত্র থাকে, তবে আপনি একটি মডিফায়েড সাইন ওয়েভ ইনভার্টার বেছে নিতে পারেন। তবে, ইন্ডাক্টিভ এবং ক্যাপাসিটিভ লোডের জন্য আমরা একটি পিওর সাইন ওয়েভ ইনভার্টার ব্যবহারের পরামর্শ দিই। এই ধরনের লোডের উদাহরণ হলো ফ্যান, সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতি, এয়ার কন্ডিশনার, রেফ্রিজারেটর, কফি মেশিন এবং কম্পিউটার। যদিও একটি মডিফায়েড সাইন ওয়েভ ইনভার্টার কিছু ইন্ডাক্টিভ লোড চালু করতে পারে, তবে এটি সেগুলোর আয়ু কমিয়ে দিতে পারে, কারণ সর্বোত্তম কার্যকারিতার জন্য ইন্ডাক্টিভ এবং ক্যাপাসিটিভ লোডের উচ্চ-মানের পাওয়ার প্রয়োজন হয়।
৬. আমি কীভাবে ইনভার্টারের আকার নির্বাচন করব?
বিভিন্ন ধরনের লোডের জন্য বিভিন্ন পরিমাণ শক্তির প্রয়োজন হয়। ইনভার্টারের আকার নির্ধারণ করতে, আপনার লোডগুলির পাওয়ার রেটিং পরীক্ষা করা উচিত।
- রোধীয় লোড: লোডের সমান পাওয়ার রেটিংযুক্ত একটি ইনভার্টার বেছে নিন।
- ক্যাপাসিটিভ লোডের ক্ষেত্রে, লোডের পাওয়ার রেটিংয়ের ২ থেকে ৫ গুণ বেশি ক্ষমতার একটি ইনভার্টার বেছে নিন।
- ইন্ডাক্টিভ লোডের ক্ষেত্রে, লোডের পাওয়ার রেটিংয়ের ৪ থেকে ৭ গুণ বেশি পাওয়ার রেটিংযুক্ত একটি ইনভার্টার বেছে নিন।
৭. ব্যাটারি ও ইনভার্টার কীভাবে সংযোগ করতে হবে?
সাধারণত পরামর্শ দেওয়া হয় যে, ব্যাটারির টার্মিনাল থেকে ইনভার্টারে সংযোগকারী কেবলগুলো যতটা সম্ভব ছোট হওয়া উচিত। সাধারণ কেবলের ক্ষেত্রে, এর দৈর্ঘ্য ০.৫ মিটারের বেশি হওয়া উচিত নয় এবং ব্যাটারি ও ইনভার্টারের পোলারিটি অবশ্যই মিলতে হবে।
ব্যাটারি এবং ইনভার্টারের মধ্যে দূরত্ব বাড়ানোর প্রয়োজন হলে, সাহায্যের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। আমরা উপযুক্ত তারের মাপ ও দৈর্ঘ্য গণনা করে দিতে পারব।
মনে রাখবেন যে, দীর্ঘ তারের সংযোগের কারণে ভোল্টেজ হ্রাস হতে পারে, যার অর্থ হলো ইনভার্টারের ভোল্টেজ ব্যাটারি টার্মিনাল ভোল্টেজের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে কম হতে পারে, ফলে ইনভার্টারে আন্ডারভোল্টেজ অ্যালার্ম বেজে উঠতে পারে।
৮.ব্যাটারির আকার নির্ধারণ করার জন্য প্রয়োজনীয় লোড এবং কর্মঘণ্টা আপনি কীভাবে গণনা করেন?
আমরা সাধারণত গণনার জন্য নিম্নলিখিত সূত্রটি ব্যবহার করি, যদিও ব্যাটারির অবস্থার মতো কারণগুলির জন্য এটি ১০০% সঠিক নাও হতে পারে। পুরোনো ব্যাটারিতে কিছুটা শক্তি ক্ষয় হতে পারে, তাই এটিকে একটি নির্দেশক মান হিসেবে বিবেচনা করা উচিত:
কাজের সময় (H) = (ব্যাটারির ক্ষমতা (AH) * ব্যাটারির ভোল্টেজ (V0.8) / লোড পাওয়ার (W))







